মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৮ জানুয়ারি ২০২০

আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস-২০২০ উদযাপন


প্রকাশন তারিখ : 2020-01-25

শনিবার, ২৫ জানুয়ারি ২০২

আজ (শনিবার) বিকাল ৩:০০ টায়, ২৫ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে ঢাকার সেগুন বাগিচা’র আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইন্সটিটিটিউট মিলনায়তনে বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন (বিএনসিইউ) এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় এর যৌথ আয়োজনে “মানুষ, ধরিত্রী, সমৃদ্ধি ও শান্তির জন্য শিক্ষা” শীর্ষক এক আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডা. দীপু মনি এম.পি., মাননীয় মন্ত্রী, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও চেয়ারপারসন, বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন। প্যানেল আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ আকরাম-আল-হোসেন, সচিব, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং জনাব মুনশী শাহাবুদ্দীন আহমেদ সচিব, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়। উক্ত অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত থেকে ইউনেস্কোর মহাপরিচালকের বার্তা পৌছে দেন মিজ বিয়াট্রিস কালদুন হেড অব অফিস এন্ড ইউনেস্কো রিপ্রেজেন্টেটিভ টু বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস-২০২০ এর প্রতিপাদ্যের ওপর আলোচনা করেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় এর সচিব ও সেক্রেটারি জেনারেল, বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন, জনাব মোঃ মাহবুব হোসেন। এতে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বিএনসিইউ এর ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল জনাব আবু হেনা মোরশেদ জামান।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা সংশ্লিষ্ট দপ্তর, অধিদপ্তরের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিগণ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ছাড়াও এতে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের বিভিন্ন বেসরকারী সংস্থার কর্মকর্তা, সুশীল সমাজ ও উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিগণ।

বর্তমান অস্থিতিশীল বিশ্বে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার সুযোগ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সবার জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানসম্মত এবং জীবনব্যাপী শিক্ষার সুযোগের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আলোচকগণ বলেন বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে নারী, শিশু, অভিবাসী, উদ্বাস্তুর অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। ফলে স্থান, কাল পাত্র অনুযায়ী সামষ্টিক কার্যক্রম গ্রহণের এর জন্য সকল সদস্য রাষ্ট্র, জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থাসমূহ, সিভিল সোসাইটি, জিও, এনজিও, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ তথা সকল অংশীজনদের অংশগ্রহণ মাধ্যমেই টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (Goals) ২০৩০ এর অঙ্গীকার পূরণ করা সম্ভব। এ সকল বিষয় নিয়েই বক্তা/আলোচকগণ তাঁদের সুচিন্তিত বক্তব্য প্রদান করেন। এছাড়াও অতিথিবৃন্দ নিজ নিজ মন্ত্রণালয়/সংস্থার পক্ষ থেকে (এস.ডি.জি-৪) কে এর লক্ষ্য সমূহের প্রাথমিক অর্জন ও কর্ম সম্পাদন ও পরবর্তী করনীয় সম্পর্কে কথা বলেন।


Share with :

Facebook Facebook